ধর্মের নামে ভন্ডামি ও অসাধুতার বিরুদ্ধে বার্তা দিতে ‘বাঙালির আমিষ উৎসব’

admin

ধর্মের নামে ভণ্ডামি, অসাধুতা এবং মানুষের ব্যক্তিগত খাদ্যাভ্যাস নিয়ে বিভাজনের বিরুদ্ধে বার্তা দিতে কোলকাতায় আয়োজন করা হচ্ছে ‘বাঙালীর আমিষ উৎসব’। আয়োজকদের দাবি, বাঙালির খাদ্যাভ্যাস, সংস্কৃতি ও দীর্ঘদিনের খাদ্যপরম্পরাকে সামনে রেখেই এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

এই কর্মসূচিকে ঘিরে শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংসের নামে প্রচলিত একটি বাণীর উল্লেখ করেছেন আয়োজকরা। তাঁদের বক্তব্য, মানুষের প্রকৃত ভক্তি শুধুমাত্র তাঁর খাদ্যাভ্যাসে নয়, বরং তাঁর মন ও চরিত্রের মধ্যে নিহিত। হিংসা, পরশ্রীকাতরতা ও বিদ্বেষ থেকে মুক্ত থাকাকেই প্রকৃত ধর্মাচরণের গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।

পাশাপাশি, স্বামী বিবেকানন্দের নামে প্রচলিত একটি উদ্ধৃতিও সামনে এনেছেন আয়োজকরা। তাঁদের দাবি, রামকৃষ্ণ পরমহংস ও স্বামী বিবেকানন্দের বাণী এবং দর্শন থেকেই এই কর্মসূচির ভাবনার সূত্রপাত।

আয়োজকদের বক্তব্য, ধর্মের নামে মানুষের ব্যক্তিগত খাদ্যাভ্যাস নিয়ে বিভাজন তৈরি করা কিংবা কাউকে হেয় করার প্রবণতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতেই এই ‘বাঙালীর আমিষ উৎসব’। তাঁদের দাবি, বাঙালির নিজস্ব সংস্কৃতি ও খাদ্যপরম্পরার সঙ্গে আমিষ খাবারের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক রয়েছে। সেই ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক পরিচয়কেই সামনে তুলে ধরতে চায় এই উদ্যোগ।

ধর্ম, খাদ্যাভ্যাস এবং বাঙালির সাংস্কৃতিক পরিচয়—এই তিনটি বিষয়কে কেন্দ্র করে আয়োজিত এই কর্মসূচি ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। উৎসবকে ঘিরে আয়োজকদের বক্তব্য ও এর সামাজিক তাৎপর্য নিয়েও শুরু হয়েছে আলোচনা।

Share This Article
Leave a comment